গত আসরের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ম্যাসিদের কোঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে বিশ্বকাপের নবাগত দল কেপ ভার্দের কাছে। ম্যাচের শুরুতেই আর্জেন্টিনা এগিয়ে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় আফ্রিকান দলটির বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। তবে সমতায় ফিরতে বেশি সময় লাগেনি ভার্দের। তাতেই ম্যাসিরা চাপে পড়ে যায়৷ ৯১ মিনিটে আর্জেন্টিনার স্কোরলাইন ২-১ করেছিলেন লিসান্দ্রে মার্টিনেজ। ১০৩ মিনিটে সেই গোল শোধ করেছেন কেপ ভার্দের সিডনি ক্যাব্রাল। তবে ম্যাচের শেষ মুহুর্তে ম্যাচির কর্নার শর্ট থেকে কেপ ভার্দে ডিফেন্ডার হাতে লেগে আত্মগী গোল পেয়ে লীড নেয় ম্যাসিরা।
২৮তম মিনিটে প্রায় নিজেদের অর্ধ থেকে নিখুঁত এক পাস বাড়িয়েছেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। মেসির দৌড়ে যাওয়ার লাইনেই ছিল সেই বল। যা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সের ভেতর ৭ গজ দূরত্ব থেকে শট নেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা কিছুটা ছন্দ হারাতেই সুযোগটা নিয়েছে কেপ ভার্দে। ৫৯ মিনিটে তারা ডেরয় দুয়ার্তের গোলে আর্জেন্টিনার জাল কাঁপিয়ে স্কোরলাইন ১-১ পরিণত করেছে। রায়ান মেন্দেস ডান প্রান্ত দিয়ে বল বাড়ালে দুয়ার্তে ফাঁকা জায়গা দিয়ে দৌড়ে দুর্দান্ত এক শটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান। আর্জেন্টিনার লিড নেওয়া গোলে অ্যাসিস্ট করা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ দ্রুত এগিয়ে এলেও দুয়ার্তেকে ঠেকাতে পারেননি।
৯০ মিনিটের আগপর্যন্ত সময়টাতে ছিল ভোজিনহার বীরত্বের গল্প। মেসির দুটি দারুণ ফ্রি-কিক বাঁচিয়েছেন তিনি, আরও কয়েকটি দারুণ আক্রমণ পরাস্ত হয়েছে তার সামনে এসে। ফলে ১-১ স্কোরলাইন নিয়ে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। তবে বেশিক্ষণ আর্জেন্টিনাকে অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। আলবিসেলেস্তেদের প্রথম গোলেও বলের যোগান দিয়েছিলেন লিসান্দ্রো। নিজেদের রক্ষণ থেকে তিনি নিঁখুত পাস দিয়েছিলেন। দল যখন লিড পেতে মরিয়া ছিল, আবারও দৃশ্যপটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সেন্টারব্যাক।
৯১ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল আরেকজনের স্পর্শ পেয়ে একপাশে ফাঁকায় থাকা লিসান্দ্রো পেয়ে যান। হয়তো ধারণা ছিল তিনি ক্রস করবেন, কিন্তু তা না করে দুরূহ কোণ থেকে জোরালো শটে ভোজিনহাকে বোকা বানিয়ে জাল কাঁপিয়েছেন। ১০৩ মিনিটে সেই গোল শোধ করেছেন কেপ ভার্দের সিডনি ক্যাব্রাল। বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে তিনি ভেতরের দিকে কাট করেন। ফিরতি বল পেয়ে ডান পায়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শট নিয়েই যেন অবাক করা দৃশ্যের জন্ম দিলেন ক্যাব্রাল। হয়তো বলটি এভাবে ফাঁকি দেবে ধারণাও ছিল না এমি মার্টিনেজের।
৯০ মিনিটের আগপর্যন্ত সময়টাতে ছিল ভোজিনহার বীরত্বের গল্প। মেসির দুটি দারুণ ফ্রি-কিক বাঁচিয়েছেন তিনি, আরও কয়েকটি দারুণ আক্রমণ পরাস্ত হয়েছে তার সামনে এসে। ফলে ১-১ স্কোরলাইন নিয়ে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। তবে বেশিক্ষণ আর্জেন্টিনাকে অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। আলবিসেলেস্তেদের প্রথম গোলেও বলের যোগান দিয়েছিলেন লিসান্দ্রো। নিজেদের রক্ষণ থেকে তিনি নিঁখুত পাস দিয়েছিলেন। দল যখন লিড পেতে মরিয়া ছিল, আবারও দৃশ্যপটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সেন্টারব্যাক।
৯১ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল আরেকজনের স্পর্শ পেয়ে একপাশে ফাঁকায় থাকা লিসান্দ্রো পেয়ে যান। হয়তো ধারণা ছিল তিনি ক্রস করবেন, কিন্তু তা না করে দুরূহ কোণ থেকে জোরালো শটে ভোজিনহাকে বোকা বানিয়ে জাল কাঁপিয়েছেন। ১০৩ মিনিটে সেই গোল শোধ করেছেন কেপ ভার্দের সিডনি ক্যাব্রাল। বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে তিনি ভেতরের দিকে কাট করেন। ফিরতি বল পেয়ে ডান পায়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শট নিয়েই যেন অবাক করা দৃশ্যের জন্ম দিলেন ক্যাব্রাল। হয়তো বলটি এভাবে ফাঁকি দেবে ধারণাও ছিল না এমি মার্টিনেজের।
আর্জেন্টিনাকে আবারও লিড পেতে অপেক্ষা করতে হলো ৮ মিনিট। মেসির নেওয়া নিখুঁত কর্নার পেয়ে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো হেড দেন, বল জালে জড়িয়ে যাওয়ার আগে সেটি কেপ ভার্দে ডিফেন্ডার হাতে লেগেছে। ফলে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে আর্জেন্টিনা লিড পায় ৩-২ ব্যবধানে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেছে কেপ ভার্দে। আর্জেন্টিনাও স্বস্তিতে ছিল না। আক্রমণ এবং রক্ষণ দু’দিকেই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। শেষমেষ রেফারির শেষ বাঁশিই যেন স্কালোনি শিষ্যদের হাফ ছেড়ে বাঁচার সুযোগ এনে দিলো!