কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে ইতিহাস সৃষ্টি করলো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ১০ জনের সুইজারল্যান্ড রক্তক্ষয়ী প্রাচীর গড়ে আটকে রেখেছিল আর্জেন্টিনাকে। সবাই যখন চরম শঙ্কা নিয়ে পেনাল্টি টাইব্রেকারের দিকে তাকাচ্ছিল, তখনই গোল করলো আলভারেজ ও লাওতারো।
পুরো টুর্নামেন্টে ছন্দহীন থাকা আর একাদশে জায়গা নেওয়া নিয়ে ওঠা সব সমালোচনা এক শটে উড়িয়ে দিয়ে ১১৪তম মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে এক চোখধাঁধানো রকেট শটে আলবিসেলেস্তাদের ২-১ গোলে এগিয়ে দেন এই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। এরপর অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে শেষ কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন লাওতারো মার্তিনেজ। সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
জয়ের ফলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মেগা মঞ্চে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড।
অবশেষে ১১৪ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে আলভারেজের সেই অবিশ্বাস্য দূরপাল্লার দূরপাল্লার গোল কানসাস সিটিতে উপস্থিত কোটি আর্জেন্টাইন সমর্থককে ভাসায় চরম আনন্দের বন্যায়। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে সুইসদের অল-আউট আক্রমণের সুযোগ নিয়ে পাল্টা আক্রমণে ৩-১ গোলের নিশ্চিত সিলমোহর একে দেন লাওতারো মার্তিনেজ। এই নাটকীয় জয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নযাত্রা অবিচল রইল এবং কানসাস সিটি থেকে এখন নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে ফাইনালের টিকিট কাটার নতুন মিশনে পা রাখল স্কালোনির শিষ্যরা।