প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে তুরস্কের সহযোগিতায় বগুড়ায় ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশেই গড়ে তোলা হবে এই কারখানা। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে দেশের প্রথম বিমানবাহিনীর বিমানঘাঁটি স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে।
৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ এ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়া বিমানঘাঁটির পাশে ড্রোন উৎপাদন কারখানা নির্মাণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে এখনো আন্তর্জাতিক মানের কোনো বিমানবন্দর নেই। এ কারণে বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চলছে। বিমানবন্দরটির পাশেই স্থাপন করা হবে ড্রোন তৈরির কারখানা, যা দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম বিমানঘাঁটি স্থাপনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হওয়া নতুন যুদ্ধবিমানগুলো এই ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে।
বিএসআরএফ সভাপতি মাসুদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তান আমলে নির্মিত বগুড়া বিমানবন্দরটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হলেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের উদ্যোগ নানা সময়ে নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলেও এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবে রাজনৈতিক কারণে প্রকল্পটি আর এগোয়নি।