ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের মানচিত্রে কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করায় ভারতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর সাম্প্রতিক এ মানচিত্র সংশোধন কূটনৈতিক মহলেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন সামরিক কমান্ড ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড থেকে প্যাসিফিক কমান্ড নাম ব্যবহারে ফিরে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত কিছু মানচিত্রে কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।এই মানচিত্রায়ন কাশ্মীর-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের ভারতের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড থেকে প্যাসিফিক কমান্ডে ফিরে যাওয়াকে অনেকেই কেবল একটি নাম পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন না।কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো মানচিত্রগুলো কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে।
এই মানচিত্র উপস্থাপনা নিয়ে ভারত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।ভারত এ ঘটনাকে একটি কূটনৈতিক অবমাননা হিসেবে দেখছে, যা আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।
কাশ্মীর অঞ্চলটি কয়েক দশক ধরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু। এই পদক্ষেপ অঞ্চলটি নিয়ে দুই দেশের চলমান বিরোধকে আরও তীব্র করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে নজর রাখছেন। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এটি অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সম্পর্কের ওপর এর বিস্তৃত প্রভাব কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কিছু সূত্রের মতে, এই মানচিত্রগত সিদ্ধান্ত গভীরতর কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।এটি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত পরিবর্তনের সংকেত, নাকি কেবল একটি ত্রুটি—সে প্রশ্নও উঠছে।
এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক কৌশল ও নীতিমালা নিয়ে আরও গভীর পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।
সূত্র:টাইমস অব ইসামাবাদ