বিহারের একটি হিন্দু মন্দিরে পদদলিত হয়ে অন্তত সাতজনের প্রাণহানি হয়েছে। এতে আরো ১৯ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
ভারতে বড় সমাবেশ ও ধর্মীয় উৎসবে পদদলিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা প্রায়ই ঘটে। মূলত ভিড় ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতের পাটনা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বিহারের লাখিসরাই জেলার অশোক ধাম মন্দিরে সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। হিন্দু দেবতা শিবের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শৈলেন্দ্র কুমার এএফপিকে বলেন, মন্দির প্রাঙ্গণের ভেতরে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভক্তদের ওপর পড়ে গেছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর পদদলনের ঘটনা ঘটে।
কুমার বলেন, ‘এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ তিনি হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহত প্রায় ১৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এ ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি নিহত প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ৪ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া প্রাণঘাতী পদদলনের ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি সর্বশেষ। গত বছরের নভেম্বরে দক্ষিণাঞ্চলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের একটি মন্দিরে ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে নয়জনের প্রাণহানি হয়।
গত বছর তামিলনাড়ুতে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে আরেকটি পদদলনের ঘটনায় ৩৬ জন মৃত্যু হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সবচেয়ে ভয়াবহ জনসমাগমজনিত দুর্ঘটনাগুলোর একটি ঘটে ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশে। সেখানে হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে ১২০ জন মারা যান।
সুত্র: বাসস