• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুই শিশুকে কীটনাশক পান করিয়ে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা বহাল খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জের ১০ গ্রাম প্লাবিত চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ৩০ মৃত্যুর ঘটনায় এনসিপির শোক ১৮ লাখ টন ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী তিতুমীর কলেজের শহীদ মামুন হলে লিফট বিকল, আটকা পড়েন ৯ আবাসিক শিক্ষার্থী রেজা হাসান বাদ, সিলেটের ডিসি হলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন বিনিয়োগ-বান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করবে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মাধ্যমে তিতুমীর কলেজে ‘লহু রাঙা জুলাই’ উদযাপন 

মার্কিনীদের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিকে ‘হুকুমনামা’ আখ্যা আনু মুহাম্মদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৪০ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

মার্কিনীদের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তিকে ‘হুকুমনামা’ আখ্যা দিয়েছে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এটি মূলত মার্কিন প্রশাসনের একটি হুকুমনামা। এই চুক্তিকে কোনভাবেই বাণিজ্যচুক্তি বলা যায় না। এর ফলে দেশের কার্যক্রমের উপরএকতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য থাকবে।

‎আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তি: হুমকিতে দেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকের আয়োজক বামপন্থী রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট’।

‎আনু মুহাম্মদ বলেন, বাজার অর্থনীতির স্বাভাবিক নিয়মে একটি দেশ সেখান থেকেই পণ্য আমদানি করে, যেখানে কম দামে ও ভালো মানের পণ্য পাওয়া যায়। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কম আমদানি করে, কারণ সেখানকার পণ্য তুলনামূলক ব্যয়বহুল এবং প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অথচ এই চুক্তিতে ঘাটতি বাণিজ্যের যুক্তি দেখিয়ে বাংলাদেশকে বেশি দামে মার্কিন পণ্য কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক।

‎চুক্তিতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধিবিধান বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বীকৃত নীতিমালার প্রতিফলন নেই বলেও মন্তব্য করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলে আনু মুহাম্মদ বলেন, নিজেদের গরজে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে। যা নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করানো গেলেও তা করা হয়নি। উল্টো নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে  আগ্রহে এই চুক্তি হয়। তাছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারতসহ বেশির ভাগ দেশ যখন চুক্তি এড়িয়ে গেছে বা আলোচনার স্তরে আছে। কিন্তু বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় এগিয়ে গিয়ে স্বাক্ষর করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category