• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে চেক প্রজাতন্ত্র মাদ্রাসার টয়লেটে মিললো গুলিসহ রিভলবার, গায়ে লেখা ‘মেইড ইন পকিস্তান বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমলো নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে সম্মান জানাবেন সংসদ সদস্যরা মমতাকে বাংলাদেশে চলে যেতে বললেন: দিলীপ ঘোষ সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার অভিন্ন প্রশ্নে হবে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিকল্প ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা মহাখালীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

বিদ্যুতের দাম ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব

Reporter Name / ১০১ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের দাম সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) জমা দেওয়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এবং বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানির প্রস্তাবে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের ধাপ বা স্ল্যাব একীভূত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমানে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের জন্য কম দামে বিল নেওয়া হলেও নতুন প্রস্তাবে শূন্য থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত একটিমাত্র ধাপ করার কথা বলা হয়েছে। ফলে ৭৫ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীরা আগের কম দামের সুবিধা হারাতে পারেন।

এছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক গ্রাহক হিসেবে বিলের আওতায় আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গণশুনানি ছাড়াই জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাব কার্যকর হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে মাসে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর।

পিডিবির দাবি, জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ এবং বিতরণ কোম্পানিগুলোর বাড়তে থাকা লোকসানের কারণে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়েছে।

বর্তমান ট্যারিফ কাঠামোর কারণে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিতরণ সংস্থাগুলোর সম্মিলিত লোকসান হয়েছে ২ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, নতুন সমন্বয় না হলে আগামী অর্থবছরে এই ঘাটতি ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ১ জুন থেকে নতুন দাম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category