• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হিলিতে কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, ৪-৩ গোলে চ্যাম্পিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন, ফসলী জমি ও বসতবাড়ি রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন উৎসবমুখর আয়োজনে AWF-এর ৩য় বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ অটোরিকশা নিয়ে কথা বলা নেতারই রয়েছে ৭০০ অটোরিকশা বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় জোবায়ের গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার সফল মাশরুম চাষি অভয়নগরের নিপা রানী দেশে কেমিক্যাল শিল্পের চাহিদার ঘাটতি রয়েছে: শহীদউদ্দীন এ্যানি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কমলগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

১মাসে ৩৫ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ইউনাইটেড ডেস্ক / ১৩ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

দেশজুড়ে ইতোমধ্যে প্রায় দুই কোটি শিশুকে হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রত্যন্ত চরাঞ্চল—বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়াই এবারের বিশেষ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

৭ অক্টোবর (বুধবার) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

তিনি বলেন, হাম প্রতিরোধে সরকারের চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

তবে এখানেই কর্মসূচি শেষ হচ্ছে না জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুও যেন টিকাদান থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের পাশাপাশি দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী শিশুদেরও এবার বিশেষভাবে খুঁজে বের করা হচ্ছে।

এর আওতায় প্রতিবন্ধী শিশুদেরও টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীরা এসব শিশুর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে টিকা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

তিনি জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলেও বসবাসকারী শিশুদের কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব এলাকায়ও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এত বড় পরিসরের টিকাদান কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হতো না। মাঠপর্যায়ের কর্মীরা দুর্গম এলাকা পর্যন্ত গিয়ে শিশুদের খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনছেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

তার ভাষ্য, শিশুদের টিকাদানের মাধ্যমে হাম ও রুবেলার মতো রোগ প্রতিরোধে চলমান উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category