সোনার স্বপ্নটা অধরাই রয়ে গেল বাংলাদেশের। এশিয়ান গেমসে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১১২ লক্ষ দেয় পাকিস্তানকে। ফিলডিংয়ে নেমে দূর্দান্ত শুরুর পর দুই ওভারে সকল সমিকরন বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত ৯ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জিতে ফাইনালে উঠে গেছে পাকিস্তান।
বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১১১ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।
শুরুতেই মেহেদী হাসান মিরাজের বলে কাটা পড়েন পাক ব্যাটার সাহিবজাদা ফারহান। ৫ রানে তাওহিদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দেন এই ব্যাটার। পরের ওভারে নাসুম আহমেদের বলে ক্যাচ দেন মাজ সাদাকাতও। এতে ২ ওভার শেষে পাকিস্তানের রান ছিল ১৭/২।
এরপর ১২ বলে ২১ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন পাক ওপেনার সাইম আইয়ুব। মোস্তাফিজের এক ওভারের প্রথম তিন বলে পরপর দুই ছক্কা ও চার মেরে ম্যাচের চাপ বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ বলে সেই মোস্তাফিজের কাছেই ক্যাচ তুলে দেন সাইম।
৪.৩ ওভারে ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখনো ম্যাচে ছিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের বোলাররা নিয়মিত চাপ তৈরি করছিলেন। কিন্তু অষ্টম ওভারে নাসুমকে দুই ছক্কা মেরে পাকিস্তানের আশা জিইয়ে রাখেন হাসান নওয়াজ।
তবু পাঁচ ওভার শেষে সমীকরণটা বাংলাদেশের পক্ষে ছিল। জিততে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৪৪ রান। কিন্তু তখনো ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ বাকি।
মোস্তাফিজের দশম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকান আবদুল সামাদ। এরপর থামেননি তিনি। পরপর চার বাউন্ডারিতে ওভারটি থেকে তুলে নেন ২৩ রান। এক ওভারেই বদলে যায় পুরো ম্যাচের হিসাব। পাকিস্তানের দরকার নেমে আসে মাত্র ১৩ রানে।
সেখান থেকে আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। আবদুল সামাদ ১৫ বলে অপরাজিত ৩০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে জিতিয়ে দেন। ১১তম ওভারের শেষদিকে, অর্থাৎ ৯ বল হাতে রেখেই টাইগারদের স্বপ্ন ভঙ্গ করে
লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। ফলে এশিয়ান গেমসের ফাইন থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।