ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। শুরুতে চার গোলের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের আভাস দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক এবং জুড বেলিংহামের শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে ইংলিশরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। তৃতীয় মিনিটেই মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে দারুণ এক দূরপাল্লার শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ডেক্লান রাইস। ১২ মিনিটে কায়ো সাকার আরেকটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও ১৮ মিনিটে রাইসের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজরা কনসা। এরপর ৩৭ মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের পাস থেকে গোল করেন বুকায়ো সাকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কনসার পাসে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ইংল্যান্ডকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে বিরতিতে যান সাকা।
দ্বিতীয়ার্ধে ভিন্ন রূপে মাঠে নামে ফ্রান্স। ৪৮ মিনিটে মাইকেল ওলিসের পাস থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পে প্রথম গোল শোধ করেন। ছয় মিনিট পর এমবাপ্পের পাসে গোল করে ব্যবধান আরও কমান ব্র্যাডলি বারকোলা। ৬৬ মিনিটে আবারও ওলিসের সহায়তায় নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার দশম গোল, যা তাকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে।
ফ্রান্স যখন ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখছে, তখন ৮৪ মিনিটে জেড স্পেনসকে ফাউলের কারণে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পট কিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বুকায়ো সাকা এবং দলের পঞ্চম গোলটি করেন। যোগ করা সময়ে উসমান ডেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে আরেকটি গোল করে ব্যবধান ৫-৪-এ নামালেও শেষ বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করেন জুড বেলিংহাম। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার সপ্তম গোল।