• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকজাত পণ্যের করহার যথেষ্ট নয় : আহছানিয়া মিশন সিলেটে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে ‘গেম-চেঞ্জার’ বললেন: কানাডার প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, সাকলাইনের অভিষেক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটের সুযোগ থাকছে না :ইসি ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর: পুরনো মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় আসামিকে প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছানোর আগেই ভেঙ্গে পড়লো প্যান্ডেল প্রস্তাবিত: বাজেটে জ্বালানি খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ নেই: সিপিডি চট্টগ্রামের আলোচিত ৫ বছরের শিশু হত্যার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন, এনএপিডির ডিজি খায়রুল কবীর

ভারী বর্ষণের কারণে শেরপুরে তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

ইউনাইটেড ডেস্ক: / ২৪ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ভারী বর্ষণ এবং ভারতের মেঘালয় থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুরের প্রধান তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের শনিবারের (১৩ জুন) সকাল ৯টার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। পাশাপাশি সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানিও আশঙ্কাজনকভাবে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী সদর বাজারে পানি ঢুকেছে এবং ক্রমান্বয়ে পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

গত কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ঢল বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দিন আগে নালিতাবাড়ী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বর্ডার রোডসহ একাধিক সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এছাড়া মহারশি নদীর বিভিন্নস্থানে পানি বাঁধ ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে এবং কোথাও কোথাও বাঁধের পাশে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টিপাত কমে গেলে ঢলের পানি নেমে যাবে। এখন পর্যন্ত বাঁধ ভাঙার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন স্থানে নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category