সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে কথিত ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক বাংলাদেশে লোক পাঠানোর ঘটনার প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় রাজনৈতিক জোট।
মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং অন্যান্য সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে জোটের অবস্থান তুলে ধরতে বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জোট সূত্রে জানা গেছে, চলমান বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচির ফাঁকে সীমান্তে পুশ ইন, সীমান্ত হত্যা এবং জনজীবনে প্রভাব ফেলছে এমন বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুর প্রতিবাদে কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমাদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বেল্লাল মিয়াজিসহ জোটের বিভিন্ন নেতারা।
তবে বৈঠকে খেলাফত আন্দোলনের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। রাজনৈতিক অঙ্গনে দলটির জোট ত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
এদিকে বাংলাদেশ খেলাফত, এবি পার্টি ও জাগপার প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তারা একই দিনে জামায়াতের ছায়া বাজেট উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।