শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মহাপ্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয় এবং তার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় ঐক্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের যে আদর্শ শহীদ জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আজও দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয়। তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ সমান মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে।
তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে অংশ নিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের অস্তিত্বের অংশ এবং এ ইতিহাস কখনো অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
মন্ত্রী দাবি করেন, দেশের ক্রান্তিকালে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ছিলেন একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতা। তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই একটি অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব।