• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

এনসিপি-কওমি শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্তেজনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: / ৬৫ Time View
Update : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

সংসদের হাসনাত আব্দুল্লাহ দেওয়া বক্তব্যকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এতে পূর্ব নির্ধারিত স্থানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচি স্থলে ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে কাওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সাংগঠনিক সমন্বয় সভা আহ্বান করেছে এনসিপি। তবে, এই কর্মসূচির আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নিয়ে সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার রাতে শহরের বিক্ষোভ করেছেন তারা। পাশাপাশি শনিবার বিকেল ৩টায় শিল্পকলা একাডেমিতে ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ঘোষণা দিয়েছেন।

এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠন মো. আতাউল্লাহ জানান, আজকের এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ। সভায় কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা আব্দুল খালেক বলেন, “শুক্রবার রাতে আমরা এনসিপির বিরুদ্ধে একটি মিছিল ও গণসমাবেশ করেছি। আমাদের তিনটি দাবি ছিল- হাসনাত আব্দুল্লাহ সংসদে যে মিথ্যাচার করেছেন এই মিথ্যাচারের জন্য লাইভে এসে ক্ষমা চাইতে হবে, পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে ক্ষমা চাইতে হবে, জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার এই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু, আমাদের এই দাবি তারা মানেনি তাই আমরা আমাদের কর্মসূচি ঘোষণা করছি।”

তিনি বলেন, “আজ বিকেল ৩টায় শিল্পকলা একাডেমিতে কুরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘোষণা করছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইসলাম প্রিয় সবাইকে এই কর্মসূচি সফল করার জন্য আহ্বান করছি।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, “এনসিপি একটি অনুষ্ঠানের জন্য আবেদন করেছিল। অনুষ্ঠান আর রাজনৈতিক কর্মসূচি এক না, তাই ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে। আর কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদ তো কোন আবেদন করেনি। শিল্পকলায় কোনো প্রোগ্রাম হবে না। পরবর্তীতে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার হাসনাত আব্দুল্লাহ সংসদে কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় সরকারে ব্যর্থতার বিষয়ে সমালোচনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category