জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি মানুষের আরও বোঝা বাড়বে বলেই মনে করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। ফলে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা বলছেন, জ্বালানি সংকটে শিল্প-কারখানা বন্ধে দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। তাছাড়া দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতিতে মানুষে জীবন চেপ্টা হয়ে আছে। এর মধ্যে জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেশের মানুষকে আরও সংকটের দিকে টেনে নিয়ে যাবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী। অন্যদিকে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব বাড়ছে। এর মধ্য দিয়ে দেশে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার সংকট মোকাবিলায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মাথায় দুই দফা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে।
সংগঠনটি বলছে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহনসহ শিল্প উৎপাদনে ভাড়া ও মূল্য বাড়ার চাপ তৈরি হবে। তাই এ ধরনের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে পূর্বের মূল্য বহাল করার দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সরকার জনস্বার্থে কোথাও ব্যবসা করবে, কোথাও ভর্তুকি দেবে এটাই বাস্তবতা। দেশের চরম আর্থিক সংকটের এই মুহূর্তে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে অর্থনীতি সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর মধ্য দিয়ে সংকটাপন্ন জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব।
সরকারের প্রতি এ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।