• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেলা ১১ থেকে ৯ টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা থাকবে ২০২৮সালে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ওসমান হাদীর বীরত্বগাথা তিন দেশে তিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, কখন কোথায় বিশ্বকাপের বর্ণিল সূচনা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর প্রস্তাবিত বাজেটে ‎নিত্যপণ্যে স্বস্তির খবর নতুন বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইভি খাতে বাড়তে পারে কর-শুল্ক সুবিধা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুলাভাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত বিজয় সরণিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত এক ভিসা সংকটে বিশ্বকাপের আগেই চাপে ইরান, ক্ষোভ ঝরালেন ফুটবলাররা

দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও গতিশীল করতে পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজধানীর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখা) ড. মো. মোকছেদ আলী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর সং ইয়াং।

 

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (আরএইচডি), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং চীন সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত সেতুটি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা-আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের (জেড-৮৮০৬) ১৪তম কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর ওপর, বগা ফেরিঘাটের ভাটির দিকে নির্মাণ করা হবে।

 

বর্তমানে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা কৃষিপণ্য, মৎস্যসম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের জন্য বগা ফেরিঘাটের ওপর নির্ভরশীল। সেতুটি চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২ দশমিক ৬২ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৩৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতু এবং ১ দশমিক ২৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

 

প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও এপ্রোচ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থ অনুদান হিসেবে দেবে চীন সরকার। অন্যদিকে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।

 

চুক্তি অনুযায়ী, পরবর্তী ধাপে চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠান সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও চূড়ান্ত করবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুতের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শুরু হবে নির্মাণকাজ।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে। ফলে কৃষি, মৎস্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে এবং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category