ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে একটি ড্রোন প্রদর্শনীতেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৫ জুলাই (শনিবার) বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, প্রতিরক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে দিনের বেলায় রাশিয়ার চালানো হামলায় প্রায় ১০০ জন আহত হযন। পূর্বাঞ্চলীয় শহর স্লোভিয়ানস্কে রাশিয়ার গ্লাইড বোমার আঘাতে আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে সামরিক কর্মকর্তারা উত্তরাঞ্চলীয় শহর সুমিতে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া আরেকটি ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘটতে পারে।
এদিকে একই দিনে ইউক্রেনের এক হামলায় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও (৬০০ মাইল) বেশি পেছনে অবস্থিত রাশিয়ার কিরোভ শহরে ছয়জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হন। ইউক্রেন রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলোতেও হামলা চালিয়েছে।
কিয়েভের কাছে হামলার পর প্রাথমিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সেরহি বেসক্রেস্টনভ, যিনি ফ্ল্যাশ নামেও পরিচিত, এবং ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য প্রযুক্তি উন্নয়নে জড়িত লিউবা শিপোভিচের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।
ঘটনাটির পর, তারা দুজনেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের অক্ষত থাকার খবর নিশ্চিত করেন এবং বেসক্রেস্টনভ জানান যে তিনি নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে অনুষ্ঠানটি থেকে দূরে ছিলেন।
ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহনাত ইউক্রেনীয় গণমাধ্যমকে বলেন, এই হামলায় তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যার মধ্যে কেবল একটিকে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।