সাহিত্য প্রতিবেদক
শিক্ষা, সাহিত্য ও পাঠাগার আন্দোলনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শিক্ষালোক সম্মাননা-২০২৬’ পেয়েছেন শিক্ষাবিদ শহিদুল ইসলাম, কবি ও প্রাবন্ধিক সৈকত হাবিব এবং সম্মিলিত পাঠাগার আন্দোলনের সভাপতি আবদুস ছাত্তার খান।
শুক্রবার রাজধানীর শ্যামলিতে আয়োজিত ৮ম শিক্ষালোক লেখক-শিল্পী সম্মিলনে তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিদীপের শিক্ষা বিষয়ক ত্রৈমাসিক বুলেটিন ‘শিক্ষালোকের’ এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেছেন, ‘ব্রিটিশ আমলে প্রবর্তিত চলমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ধীরগতিতে পরিবর্তন করতে হবে। এগুলো রাতারাতি পরিবর্তন করা যায় না। আমাদের শিক্ষাকে বিশ্বমানের করতে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে।’
সম্মাননা গ্রহণের পর শিক্ষাবিদ শহিদুল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘শিক্ষালোকের এই সম্মাননা পেয়ে আমি আনন্দিত। কারণ, তাদের উদ্যোগের মধ্যে আন্তরিক ভালোবাসা রয়েছে।’
কবি সৈকত হাবিব এবং পাঠাগার সংগঠক আবদুস ছাত্তার খানও শিক্ষালোকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
এর আগে সকালে ‘শিশুর শিক্ষা অধিকার: নীতি, শিক্ষা প্রশাসন ও অভিভাবকত্ব’ শীর্ষক শিক্ষালোক বক্তৃতায় ইউল্যাবের খণ্ডকালীন শিক্ষক খান মো. রবিউল আলম বলেন, ‘বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কমিউনিটির অংশগ্রহণ কমে গেছে এবং আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষালোকের সম্পাদক ফজলুল বারী। সঞ্চালনা করেন নির্বাহী সম্পাদক আলমগীর খান। শিক্ষালোকের প্রধান সম্পাদক ও সিদীপের নির্বাহী পরিচালক মিফতা নাঈম হুদা বলেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে শিক্ষালোকের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ইউনি/শাহোরা/