• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে সম্মান জানাবেন সংসদ সদস্যরা মমতাকে বাংলাদেশে চলে যেতে বললেন: দিলীপ ঘোষ সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার অভিন্ন প্রশ্নে হবে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিকল্প ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা মহাখালীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে গুরুত্ব পাবে রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক সম্পর্ক গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করবে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন বার্তা মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে

ইউনাইটেড ডেস্ক / ৪৮ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি সংগ্রহীত

দেশের মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুততম সময়ে নিরসনের লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করায় খুব শিগগিরই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তিতে বিলম্বের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি সংসদে জানান যে, জুন মাসের ১৬ তারিখেও মাদ্রাসার কোনো শিক্ষককে বেতন দেওয়া হয়নি এবং একজন শিক্ষক টাকার অভাবে মায়ের চিকিৎসা করতে পারছেন না। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তিনি উল্লেখ করার পর, সংসদে উত্থাপিত এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদন করা হয়েছিল। তবে, বিগত সরকারের সময় প্রকল্পটি থেকে স্বয়ংক্রিয় ‘ইএফটি’ কার্যক্রম বাদ দিয়ে অনুমোদন দেওয়ার কারণে মাঠপর্যায়ে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও দ্রুত পরিশোধের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। বর্তমান সরকার এই সমস্যা নিরসনে প্রকল্পটিতে বড় ধরনের সংশোধনী এনেছে এবং গত ৯ জুন একনেক সভায় ইএফটি কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে সংশোধিত প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই সংশোধিত প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, পূর্বে এই প্রকল্পের আওতায় দেশের আটটি বিভাগের মাত্র আটটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলক বা পাইলটিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইএফটি-এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হতো। এই নির্দিষ্ট আটটি প্রতিষ্ঠান ব্যতীত দেশের অন্য সব মাদ্রাসায় বর্তমানে ম্যানুয়াল বা অ্যানালগ পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা প্রক্রিয়া করতে হচ্ছে। আর এই সনাতন পদ্ধতির কারণেই প্রতি মাসে শিক্ষকদের বেতন পরিশোধে কয়েকদিন বিলম্ব হচ্ছে। তবে নতুন এই সংশোধিত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুব দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশ্বস্ত করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category