• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে চেক প্রজাতন্ত্র মাদ্রাসার টয়লেটে মিললো গুলিসহ রিভলবার, গায়ে লেখা ‘মেইড ইন পকিস্তান বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমলো নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে সম্মান জানাবেন সংসদ সদস্যরা মমতাকে বাংলাদেশে চলে যেতে বললেন: দিলীপ ঘোষ সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার অভিন্ন প্রশ্নে হবে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিকল্প ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা মহাখালীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

সংঘাত থামাতে রোববার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি সই হতে পারে: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ২৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক আগামী রোববারের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। আজ শুক্রবার এক পশ্চিমা কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। সম্ভাব্য স্বাক্ষরস্থল হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম আলোচনায় রয়েছে।

 

ওই কর্মকর্তা জানান, চুক্তির ভাষা চূড়ান্ত করার কাজ এখনও চলমান রয়েছে। তবে লেবাননে চলমান যুদ্ধের বিষয়টিও চুক্তির অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছে ইরান।

 

আগামীকাল শনিবারের মধ্যে সমঝোতা স্মারকের চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুতের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এতে স্বাক্ষর করবেন।

 

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেন, চুক্তির শর্ত প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় তিনি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। তাঁর দাবি, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি বড় ধরনের সমাধানে পৌঁছেছি।’

 

আজ ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, সম্ভাব্য চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তেহরান তাদের অধিকাংশ দাবি আদায় করে নিতে সক্ষম হচ্ছে।

 

চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য এই সমঝোতায় এটিকেই ট্রাম্পের একমাত্র বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে এক শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তা জানান, চুক্তির খসড়ায় ইরানের তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আটকে থাকা কোটি কোটি ডলারের সম্পদ মুক্ত করা এবং লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে হামলা বন্ধের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

 

প্রাথমিক পর্যায়ের এই চুক্তিতে পারমাণবিক ইস্যু রাখা হচ্ছে না। বিষয়টি পরবর্তী আলোচনার জন্য তুলে রাখা হবে।

 

ওয়াশিংটনের লক্ষ্য, ইরান যেন কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে। তবে তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।

 

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ—এই তিনটি বিষয়কে ইরানের প্রধান দাবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসবের বিনিময়ে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে কী ধরনের ছাড় দেবে, সে বিষয়ে ইরানি ওই কর্মকর্তা বিস্তারিত কিছু জানাননি। অন্যদিকে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র।

 

ইরানের বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু বিষয়ে ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের চারপাশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইরানি অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন।

 

মেহর নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অন্তত ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি সহায়তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করতে হবে।

 

সূত্র: রয়টার্স।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category