• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে চেক প্রজাতন্ত্র মাদ্রাসার টয়লেটে মিললো গুলিসহ রিভলবার, গায়ে লেখা ‘মেইড ইন পকিস্তান বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমলো নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে সম্মান জানাবেন সংসদ সদস্যরা মমতাকে বাংলাদেশে চলে যেতে বললেন: দিলীপ ঘোষ সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার অভিন্ন প্রশ্নে হবে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিকল্প ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা মহাখালীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষা সম্মান পেলেন বাংলাদেশের ৬ শহীদ শান্তিরক্ষী

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় অসামান্য সাহস, আত্মত্যাগ এবং কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী-এর হাতে পদকগুলো তুলে দেন।

সম্মাননাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা হলেন করপোরাল মাসুদ রানা, প্রাইভেট জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।

অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। একই সঙ্গে বর্তমানে বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

চলতি বছর বিশ্বের ৩৩টি দেশের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মরণে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, দাগ হ্যামারশোল্ড পদক ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ চালু করে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অসামান্য অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এই মর্যাদাপূর্ণ মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম বৃহৎ অবদানকারী দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বহু বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই ছয় বীর শান্তিরক্ষীর সম্মাননা সেই গৌরবময় অবদানেরই আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

ইউনি/শাহোরা/


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category