• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিল্পখাতে গ্যাসের সংকট কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী পদবির আগে ‘মহামান্য’ও’মাননীয়’ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত সরকারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতোই সুন্দরভাবে হবে: সিইসি ‎পলিথিন-প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করছে সরকার : আসিফ মাহমুদ পদ্মার ইলিশ চেয়ে সরকারকে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চিঠি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ: অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল শত ডলার ছুঁইছুঁই রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রে’প্তার ৫৭৭ জামায়াত নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে জকসিনে বিক্ষোভ মিছিল

শিল্পখাতে গ্যাসের সংকট কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ইউনাইটেড ডেস্কত / ০ Time View
Update : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাময়িক সংকটের সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাসের সংকটে না পড়ে, সে জন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

‎প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা করা হবে।

‎সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে গত ২৪ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। এতে বিড দাখিলের সময়সীমা নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ প্রণয়নের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে গড়ে দৈনিক প্রায় ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকটে শিল্পখাত যাতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে জন্য মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম চলছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহের আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা কিংবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলের সুবিধাজনক কোনো স্থানে গভীর সমুদ্রে জরুরি ভিত্তিতে আরেকটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে মূল ভূখণ্ডে এনে আগ্রহী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের বিষয়েও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্যাস প্রাপ্তি সাপেক্ষে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category