খুলনার পাইকগাছায় ক্রেতা পর্যায়ে ঔষধে ১০ শতাংশ ছাড় না দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বাণিজ্য নগরী কপিলমুনি ফার্মেসী মালিকগণ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় উপজেলার কপিলমুনি, হরিঢালী ইউনিয়নবাসী ও কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংক এর আয়োজনে খুলনা-পাইকগাছা মেইন সড়কের কপিলমুনিস্থ মেগা সিটি ফুডসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংক এর সভাপতি শেখ আব্দুর রাজ্জাক রাজ এর সভাপত্বিতে ও সাধারণ সম্পাদক আশানুর ইসলাম রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের প্রধান উপদেষ্টা শেখ সেকেন্দার আলী, কপিলমুনি প্রেসক্লাবের আহবায়ক এইচ এম শফিউল হাজরা, কপিলমুনি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মজিদ গাজী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাত্তার গাজী, রুহুল আমিন ফকির, উপজেলা যুবদলের সদস্য আতাউর রহমান আতা, যুবদল নেতা রায়হান গাজী, কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের ক্রিয়া সম্পাদক জলিল বিশ্বাস ও কপিলমুনি সাউন্ড ব্যবসায়ী ইমরান গাজী প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সমাজে এমন কোন পরিবার নাই যে মানুষ হঠাৎ অসুস্থ হচ্ছে না। এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া আজকাল খুবই কঠিন। কারও না কারও প্রতিদিনই ঔষধের প্রয়োজন হয়। সমাজে কিছু ব্যাক্তির হয়তোবা সামর্থ্য আছে ১শ টাকা থেকে ২ শত টাকা বেশি দিয়ে ঔষধ ক্রয় করার। কিন্তু একজন দিনমজুর, হতদরিদ্র কিংবা অসহায় মানুষের কাছে এই ১শ থেকে ২শ টাকা অনেক বড় বিষয়। যদি ১ হাজার টাকার ওষুধে ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হলে তার মুল্যে দাঁড়ায় ৯ শত টাকা। আর ১৫ শতাংশ হলে আট শত পঞ্চাশ টাকা।
বক্তারা আরও বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জেলা গুলোতে ফার্মেসী মালিকগণ ঠিকই তারা ১০ শতাংশ ছাড়ে ক্রেতা পর্যায়ে ঔষধ বিক্রয় করছে। কিন্তু আমাদের বাজারে সম্পুর্ণ ভিন্নতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। তারা ঔষধের নির্ধারিত এমআরপি অনুযায়ী বিল করছে। যাহা একজন দিনমজুর ও অসহায় মানুষের কাছে অনেক সময় অনেক বড় বিষয় দাঁড়ায়। তাই আপনার আমার একটু সচেতনতা ও সহযোগিতায় অনেক অসহায় মানুষ তার প্রয়োজনীয় ঔষধটুকু কিনতে পারবে। তাই আসুন ঔষধের ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসা নয়। আপনার আমার সামান্য সহযোগিতা কারও জীবনে অনেক বড় স্বস্তি হয়ে আসতে পারে।