• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হিলিতে কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, ৪-৩ গোলে চ্যাম্পিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন, ফসলী জমি ও বসতবাড়ি রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন উৎসবমুখর আয়োজনে AWF-এর ৩য় বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ অটোরিকশা নিয়ে কথা বলা নেতারই রয়েছে ৭০০ অটোরিকশা বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় জোবায়ের গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার সফল মাশরুম চাষি অভয়নগরের নিপা রানী দেশে কেমিক্যাল শিল্পের চাহিদার ঘাটতি রয়েছে: শহীদউদ্দীন এ্যানি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কমলগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ক্রেতাদের ঔষধে ছাড়া না দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: / ৩৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

খুলনার পাইকগাছায় ক্রেতা পর্যায়ে ঔষধে ১০ শতাংশ ছাড় না দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বাণিজ্য নগরী কপিলমুনি ফার্মেসী মালিকগণ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় উপজেলার কপিলমুনি, হরিঢালী ইউনিয়নবাসী ও কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংক এর আয়োজনে খুলনা-পাইকগাছা মেইন সড়কের কপিলমুনিস্থ মেগা সিটি ফুডসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংক এর সভাপতি শেখ আব্দুর রাজ্জাক রাজ এর সভাপত্বিতে ও সাধারণ সম্পাদক আশানুর ইসলাম রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের প্রধান উপদেষ্টা শেখ সেকেন্দার আলী, কপিলমুনি প্রেসক্লাবের আহবায়ক এইচ এম শফিউল হাজরা, কপিলমুনি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মজিদ গাজী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাত্তার গাজী, রুহুল আমিন ফকির, উপজেলা যুবদলের সদস্য আতাউর রহমান আতা, যুবদল নেতা রায়হান গাজী, কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের ক্রিয়া সম্পাদক জলিল বিশ্বাস ও কপিলমুনি সাউন্ড ব্যবসায়ী ইমরান গাজী প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সমাজে এমন কোন পরিবার নাই যে মানুষ হঠাৎ অসুস্থ হচ্ছে না। এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া আজকাল খুবই কঠিন। কারও না কারও প্রতিদিনই ঔষধের প্রয়োজন হয়। সমাজে কিছু ব্যাক্তির হয়তোবা সামর্থ্য আছে ১শ টাকা থেকে ২ শত টাকা বেশি দিয়ে ঔষধ ক্রয় করার। কিন্তু একজন দিনমজুর, হতদরিদ্র কিংবা অসহায় মানুষের কাছে এই ১শ থেকে ২শ টাকা অনেক বড় বিষয়। যদি ১ হাজার টাকার ওষুধে ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হলে তার মুল্যে দাঁড়ায় ৯ শত টাকা। আর ১৫ শতাংশ হলে আট শত পঞ্চাশ টাকা।

বক্তারা আরও বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জেলা গুলোতে ফার্মেসী মালিকগণ ঠিকই তারা ১০ শতাংশ ছাড়ে ক্রেতা পর্যায়ে ঔষধ বিক্রয় করছে। কিন্তু আমাদের বাজারে সম্পুর্ণ ভিন্নতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। তারা ঔষধের নির্ধারিত এমআরপি অনুযায়ী বিল করছে। যাহা একজন দিনমজুর ও অসহায় মানুষের কাছে অনেক সময় অনেক বড় বিষয় দাঁড়ায়। তাই আপনার আমার একটু সচেতনতা ও সহযোগিতায় অনেক অসহায় মানুষ তার প্রয়োজনীয় ঔষধটুকু কিনতে পারবে। তাই আসুন ঔষধের ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসা নয়। আপনার আমার সামান্য সহযোগিতা কারও জীবনে অনেক বড় স্বস্তি হয়ে আসতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category