• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হিলিতে কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, ৪-৩ গোলে চ্যাম্পিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন, ফসলী জমি ও বসতবাড়ি রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন উৎসবমুখর আয়োজনে AWF-এর ৩য় বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী ২০২৬ অনুষ্ঠিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ অটোরিকশা নিয়ে কথা বলা নেতারই রয়েছে ৭০০ অটোরিকশা বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় জোবায়ের গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার সফল মাশরুম চাষি অভয়নগরের নিপা রানী দেশে কেমিক্যাল শিল্পের চাহিদার ঘাটতি রয়েছে: শহীদউদ্দীন এ্যানি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কমলগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

বাজারে মুরগি-মাছে কিছুটা স্বস্থি থাকলেও জ্বালানি উত্তাপের শঙ্কা ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রবাদে মাছে ভাতে বাঙ্গালী বলা হলেও দ্রব্যমূল্যের উচ্চাচাপে সাধারণ মানুষকে অনেক আগেই পাত থেকে মাছ বাদ দিতে হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে বাধ্য হয়েই মাছের পিস পাতলা করছে। পাশাপাশি আয় বৈষম্য মানুষের কষ্ট যেন কাটছিলোই না। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সেই কষ্ট আরও দিগুণ করে তুলেছে

দীর্ঘদিন থেকে রাজধানীর বাজারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ, মুরগিসহ নিত্য প্রয়জনীয় সব ধরনের ভোগ্যপণ্য। বিশেষ করে দেশের নদীগুলো খরচ ছাড়া উৎপাদন হলেও ইলিশ যেন সোনালী হরিণ বলেই শেষ বাক্য। বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে। আর ১ কেজি তা তার চেয়ে বড় মাছের দাম প্রতি কেজি ২ হাজার ২০০ টাকা। ফলে ইলিশের স্বাদ নিতে চাইলেও বাড়তি দামের কারণে অনেক ক্রেতাই এই মাছ কিনতে পারছেন না।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ও মধ্য বাড্ডা কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশ ছাড়াও বেড়েছে ডিমসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের হালিতে বেড়েছে ৫ টাকা। যত সপ্তাহে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। তবে স্বস্থি ফিরেছে চাষের মাছে ও ব্রয়লার মুরগিতে।

বাজারে ১৯০ টাকার ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকায় বিক্রি করছি। হাইব্রিড সোনালিও আগের দামেই আছে। এছাড়া মাঝারি রুইয়ের দাম ছিল ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি। আজ একই মাছ ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় কেজিতে ৩০ টাকা এবং সর্বোচ্চ দামের তুলনায় ১১০ টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। পাবদার দামও গত সপ্তাহের ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা থেকে কমে আজ ৩০০ টাকা কেজিতে নেমেছে। আজকের বাজারে কই মাছ ২০০ টাকা এবং সিলভার মাছ ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু ইলিশের দাম ক্রমেই আরও হাতের নাগালের বাইরে যাচ্ছে।

বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজিতে ১ হাজার ৫০০ টাকা। সে হিসাবে একটি মাছ কিনতেই ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ক্রেতাকে। অন্যদিকে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশের দাম কেজিতে ২ হাজার ২০০ টাকা। ফলে বড় আকারের একটি ইলিশ কিনতে দুই হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। হাতেগুনা দুই একটি পণ্য ছাড়া অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাকিগুলোর দামও বাড়বে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

ক্রেতারা বলছেন, ইলিশের এই দাম তাদের নাগালের বাইরে। পরিবারের জন্য একটি ইলিশ কিনতে গেলেই বাজারের অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যাবে না। দাম কমার আশায় অনেকে মাছ না কিনেই বাজার থেকে ফিরছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category