মধ্যপাচ্যের যুদ্ধ উত্তেজনার মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে এর উল্টো চিত্রি দেখা দিয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা যা আগে ২০ টাকা কমে ১১৫ টাকায় বিক্রি হতো। একই ভাবে কেরোসিনের দাম ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা, পেট্রলের দাম ১৪০ থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা আর অকটেনের দাম ১৪৫ থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার গত ১৮ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও বিগত পাঁচ মাস দেশে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেলেও সরকার জনস্বার্থে দেশে মূল্যবৃদ্ধি করেনি। ফলে গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।