মানুষের প্রশ্ন করে, জামায়াত আমির ও নাহিদ ইসলাম তারা কি নির্বাচনে আদৌ পাস করেছিলেন বলে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা রংপুরে খুবই ভালো।
জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা ও নেতাদের জনপ্রিয়তার মধ্যে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হবেন, এটা কি অবিশ্বাস্য নয়?
সম্প্রতি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগিতায় রংপুর জামায়াত দখল করেছে অভিযোগ করে রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে রংপুর ও খুলনা বিভাগে প্রশাসনিক সেটআপ এমনভাবে জামায়াতীকরণ হয়েছিল যাতে করে নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিলেও জামায়াতের প্রার্থীকে পাস দেখানো হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। বুকে পাথর চাপা দিয়ে জামায়াতের আমির এই নির্বাচন মেনে নিয়েছেন।
মানুষ প্রশ্ন করে, জামায়াতের আমির এবং নাহিদ ইসলাম তারা কি আদৌ পাস করেছিলেন নাকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের পাস দেখিয়েছিল?’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াতের আমির ও নাহিদ ইসলাম তারা যে ফলাফল অর্জন করেছিলেন, অর্থাৎ তারা যে পাস করেননি তা যদি প্রকাশ করা হতো তাহলে তারা নির্বাচনের ফলাফল মানতেন না। এই কারণে ইন্টেরিম সরকার এক ধরনের মেকানিজম ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে বলে মানুষ মনে করে। এই ধরনের কথাবার্তা মানুষের মধ্যে প্রচলন আছে।’
তিনি বলেন, ‘আমারও এক ধরনের সন্দেহ হয়, পরিকল্পিতভাবে রংপুর বিভাগ ও খুলনা বিভাগকে জামায়াতের প্রার্থীদের জিতিয়ে দেওয়ার জন্য এক ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার করেছিল। অন্যথায় খুলনা বিভাগ বিএনপির ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। সেখানে জামায়াতের এত প্রার্থী জিততেন কিভাবে, এটা মানুষ বিশ্বাস করে না।’