• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চিপস কারখানায় অভিযান, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫০হাজার জরিমানা বিরামপুরের জব ফেয়ারে নগদের নিয়োগপত্র পেলেন দুই তরুণ কেশবপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার দিনে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু নবাবগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ ঝড়লো দুই শিশুর হিলির পূজামন্ডপে মন্ত্রীর উপহার তুলে দেন বিএনপির নেতাকর্মীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আটক ১ অবৈধভাবে ইলিশ শিকার: নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী চক্র গলাচিপায় তরমুজের জমি মাপা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১২

ঘোড়াঘাটে অনাবৃষ্টিতে আমন ক্ষেত ফেটে চৌচির, দিশাহারা কৃষক

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: / ১১৯ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

ঘোড়াঘাটে আষাঢ়-শ্রাবণ পেরিয়ে ভাদ্র মাস শুরু হলেও দেখা নেই কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির। প্রায় এক মাস প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না থাকায় আমনখেতের উচু জমি মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। পানির অভাবে কোথাও ধানের চারা হলদে হয়ে যাচ্ছে, আবার কোথাও চারা ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না।

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে দিনাজপুরের উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শ্যালো মেশিন ও গভীর নলকূপ দিয়ে সেচ করে ফসল রক্ষার চেষ্টা করছেন। এতে উৎপাদন খরচ এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে।

উপজেলার কশিগাড়ী খামার গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২৫ শতক জমিতে আমন ধান আবাদ করেছি। বৃষ্টির অভাবে জমি ফেটে যাওয়ায় সেচ দিতে হচ্ছে। ডিজেলের দাম বেশি হওয়ায় গত ১৫ দিনে সেচ ও অন্যান্য বাবদ ১৬ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে। আবাদ না করে উপায় নেই, কিন্তু এভাবে চললে লোকসান ঠেকানো যাবে না। একই ধরনের উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন ভাতছালা গ্রামের কৃষক আলম মিয়া। তার মতে, সামনে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে পুরো আবাদই সেচনির্ভর হয়ে পড়বে।

অন্যদিকে, সেচের বাড়তি ব্যয় বহনে অক্ষম ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন গুনছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আমনের চারা রোপণের কাজ প্রায় শেষ হলেও পর্যাপ্ত পানির অভাবে উঁচু জমিগুলো শুকিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টিতে থাকলে নিচু জমি গুলো বৃষ্টি না হলে আমন ধানের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ঘোড়াঘাট চারটি ইউনিয়ান একটি পৌর সভায় মোট ১৭,৩৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছে ৫৮ হাজার ১১ টন। কিন্তু অনাবৃষ্টি বজায় থাকলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রফিকুজ্জামান জানান, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যে এলাকায় বরেন্দ্র বহুমুখী (বিএমডিএ) আছে সে এলাকায় প্রয়োজনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সঙ্গে আলোচনা করে গভীর নলকূপ চালুর মাধ্যমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category