গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ::
কয়েক দিন আগেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হলেও দিনাজপুরের হিলিতে এখন তা নেমে এসেছে ১২০ টাকায়। ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এতে দ্রুত কমতে শুরু করেছে দাম। বৃহস্পতিবার হিলি স্থলবন্দর থেকে পাইকারিতে প্রতি কেজি ভারতীয় কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
শুক্রবার হিলি বাজারের একাধিক খুচরা দোকানে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, আমদানি করা ভারতীয় কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৪০ টাকা এবং দেশীয় কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগেও অস্বাভাবিক দামে মরিচ কিনতে হয়েছে ক্রেতাদের। দাম কমায় এখন তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট সোমবার থেকে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়। গত বুধবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের ছুটি থাকায় ওই দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ফলে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিনে হিলি বন্দর দিয়ে ২৪টি ভারতীয় ট্রাকে মোট ১৬৭ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। আমদানি শুরুর পর থেকেই বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বাড়তে থাকে। এর প্রভাব পড়ে দামে।
ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ কম থাকায় কিছুদিন আগে কাঁচা মরিচের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। একপর্যায়ে প্রতি কেজি ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। এখন ভারতীয় মরিচ আসায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। ফলে পাইকারি ও খুচরা—দুই পর্যায়েই দাম কমেছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, ৭৪ জন আমদানিকারক মোট ৩৬ হাজার টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) পেয়েছেন। এসব অনুমতিপত্রের আওতায় আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ আরও বেড়ে যাবে।
ব্যবসায়ীদের মতে, ভারতীয় কাঁচা মরিচের আমদানি স্বাভাবিক থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট থাকবে না। এতে আগামী দিনগুলোতে কাঁচা মরিচের দাম আরও কমতে পারে।