• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তিতুমীর কলেজের শহীদ মামুন হলে লিফট বিকল, আটকা পড়েন ৯ আবাসিক শিক্ষার্থী রেজা হাসান বাদ, সিলেটের ডিসি হলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন বিনিয়োগ-বান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করবে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মাধ্যমে তিতুমীর কলেজে ‘লহু রাঙা জুলাই’ উদযাপন  চট্টগ্রাম বিভাগে অতিবৃষ্টি, পাহাড় ধসে ৩০ মৃত্যু নীলফামারীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন, ১৪শিশুকে পুরস্কার প্রদান কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন।প্লাবিত বিস্তীর্ণ জনপদ ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বন্যার আশঙ্কা, আগামী তিন দিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা বুয়েটে ভেটিভারভিত্তিক জৈব প্রকৌশল বিষয়ে দুই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হাম উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮১৮

চট্টগ্রাম বিভাগে অতিবৃষ্টি, পাহাড় ধসে ৩০ মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিভাগে গত পাঁচ দিনের অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের দুর্যোগে এ পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় বলছে, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ, চাল ও শিশু খাদ্য বাবদ জরুরি ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সেখানে দেখা যায়, দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে পর্যটন জেলা কক্সবাজারে, সেখানে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলায় ৫ জন করে এবং রাঙ্গামাটি জেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

তবে কক্সবাজার জেলায় ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত থাকলেও সেখানে বর্তমানে কোনো আশ্রিত লোক নেই।

দুর্গতদের সহায়তায় গত ৭ ও ৯ জুলাই দুই দফায় বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে গত ৭ জুলাই প্রতিটি জেলায় (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ১০ লাখ টাকা করে মোট ৫০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ মেট্রিক টন করে মোট ১ হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ৯ জুলাই শিশুদের জন্য বিশেষ সহায়তা হিসেবে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১০ লাখ টাকা করে মোট ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের এই পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনগুলোর পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত লোকজনকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নিয়মিত মাইকিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

পাশপাশি, বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া দুর্গত মানুষদের জন্য সুপেয় পানি, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং শিশু খাদ্যসহ তিন বেলা খাবারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category