• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে লিগ্যাল নোটিশ

ইউনাইটেড ডেস্ক / ৪১ Time View
Update : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ঢাবির গবেষণা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

গত ২ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৩তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা নোটিশটি পাঠিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, গত ১ জুলাই ডাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এর স্নাতক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করেন।

এতে অভিযোগ করা হয়, ফুয়াদ গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে বিদ্বেষমূলক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী বক্তব্য দেন। এসব মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে ফুয়াদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে মূলধারার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে জমা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে অর্থটি একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।

নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন (পিআইএল) দায়ের করা হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category