• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন

পাবনায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৮

ইউনাইটেড ডেস্ক / ২২ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন। ২৫ জুন (শুক্রবার) রাতে উপজেলার হরিপুর বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবলুর রহমান (৪৮), ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (৪০), ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ (৫৭), ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত হোসেন (২৫)। অন্যান্যদের নাম জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি বাবলুর রহমান গ্রুপের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছে। বৃহস্পতিবার রাতে হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষে একটি মিটিং করছিলেন ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি বাবলুর রহমান গ্রুপের নেতাকর্মীরা। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে তার লোকজন বাবলুর রহমানের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে বাবলু গ্রুপের বাবলু, মিজান, মজিদসহ ৫ জন এবং সিরাজ গ্রুপের রাহাতসহ ৩ জন আহত হয়। তাদের চাটমোহর ও বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত বাবলুর রহমান বলেন, আমরা তারেক রহমানের নির্দেশে নিজেদের এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলের লক্ষে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাই। এটা সহ্য করতে পারছেন না ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। তার সঙ্গে আমাদের পূর্ববিরোধ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে আমাদের বাধার সৃষ্টি করছেন। তারা হরিপুরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তার প্রতিবাদ করায় তাদের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে আমাদের শান্তিপূর্ণ সভায় সিরাজের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।

হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ঘটনার সময় আমি হরিপুর বাজারে ছিলাম না। পরে শুনেছি এলাকার কিছু দলীয় লোকের সঙ্গে তাদের আগের ঝামেলার রেশ ধরে মারামারি হয়েছে। এখানে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নাই। এখন সবাই বিএনপি করে। তাদের মধ্যে আমার সমর্থক লোকজন থাকতে পারে।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউর রহমান জানান, বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের বিষয়টি আমরা জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি ও আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category