মাদোক রোধে কঠোর অবস্থান আগামী দু-একদিনের মধ্যেই মাদক প্রতিরোধ আইন সংশোধনী সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। বিশেষ করে সিনথেটিক ও সেমি-সিনথেটিক মাদকের বিস্তারের কারণে যুবসমাজের একটি বড় অংশ এর শিকার হচ্ছে। বর্তমান আইনে পুরোপুরি মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
শুক্রবার (২৬ জুন) মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সরকার জুয়া ও মাদকমুক্ত দেশ গড়তে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে। এসব অপরাধে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
তিনি বলেন, “সাধারণ জুয়ার পাশাপাশি বর্তমানে অনলাইন জুয়া ও বেটিংকে একটি বড় সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার অনলাইন জুয়ার পোর্টালগুলো বন্ধ করতে এবং এটি নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়নের কাজ করছে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসার্থে ১ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে উৎসাহিত করতে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অবৈধ সিসা লাউঞ্জ, মাদক স্পট এবং অনলাইন জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান চলমান রয়েছে এবং সীমান্ত এলাকাগুলোতে মাদক পাচার রুখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”