• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে যাত্রী নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলায় ফেরিঘাট দুর্ঘটনায় প্রাণরক্ষা বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারী ও শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু যশোরের ঝিকরগাছায় আহাজারি, এক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে-মেয়েসহ নিহত ৫ মহানন্দা সেতুর টোল বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি  হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী ফিনল্যান্ডে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন চামড়া পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ১ হাজার ১৩৪ জন

বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

Reporter Name / ২১ Time View
Update : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষাবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের প্রিমিয়াম লাউঞ্জে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি এবং তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব হাকান ফিদান (Hakan Fidan) নিজ নিজ সরকারের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিজ্ শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি। এ ছাড়া উভয় দেশের সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রত্নসম্পদ রক্ষা, জাদুঘর ব্যবস্থাপনা, মহাফেজখানার নথি ও গ্রন্থাগার সামগ্রী সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত হলো।

১৯৮১ সালের সাংস্কৃতিক চুক্তি এবং ২০১২ সালের শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, শিল্প, প্রেস ও তথ্য, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সহযোগিতা কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এই নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ ইউনেস্কোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আলোকে সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রপ্তানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের তালিকাভুক্তি ও নথিবদ্ধকরণে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে। তুরস্কের আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব হাকান ফিদান বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করে সমঝোতা বাস্তবায়নে তুরস্কের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এই চুক্তি দুই দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category