• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন

বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, আসছে নতুন বাহিনী “এসআরবি”

ইউনাইটেড ডেস্ক / ৭ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

নতুন নামে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।  তবে এটি নতুন কোন বাহিনী নয়, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালয়িন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন নামকরণ করা হচ্ছে। এসআরবি পরিচালিত হবে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে। বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে এর প্রধান থাকবনে অরিরিক্ত পুলিশ মহাপরর্দিশক পদর্মযাদার একজন মহাপরিচালক।

‎জবাবদহিতিা নিশ্চিত করার নতুন বিধান যুক্ত করে ‘এসআরবি আইন, ২০২৬’-এর খসড়া ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে জনগণ নিজেদের মতামত দিতে পারবেন।

‎সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশেষায়িত এই বাহিনীর অন্যতম বড় সংযোজন হলো নাগরিক অভিযোগ প্রতিকার কমিটি, এসআরবির কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, হয়রানি বা অন্যায় আচরণের অভিযোগ সাধারণ নাগরিকরা করতে পারবনে। এসব অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত এবং নিষ্পত্তির জন্য পৃথক একটি অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারশি করবে।

‎প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও নেতৃত্ব হিসেবে এসআরবি পরচিালিত হবে। বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে এর প্রধান থাকবনে অরিরিক্ত পুলিশ মহাপরর্দিশক পদর্মযাদার একজন মহাপরিচালক। সদর দপ্তর ঢাকায় থাকলেও প্রয়োজনে দেশের যেকোনো স্থানে এর শাখা বা ইউনিট স্থাপন করা যাবে। বাহিনীর নাম ও আইনি কাঠামো পরিবর্তিত হলেও এর মূল দায়িত্বের বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না।

‎অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দ তথ্য সংগ্রহ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, সন্ত্রাস ও সাইবার অপরাধ দমনসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবে এই বাহিনী। পাশাপাশি সদস্যদের জন্য কঠোর শৃঙ্খলাবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহলো, মাদকাসক্তি, অবধৈ অর্থ আদায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খসড়া আইনের ওপর প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজনের পর এটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদে পাস হলে র‍্যাব বিদ্যমান আইনি ভিত্তিতে আনুষ্ঠানকিভাবে বিলুপ্ত হবে।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, “যে নামই দেওয়া হোক না কেন, আমরা জনগণের জানমালের নিরাপত্তাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করব। পাশাপাশি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলাকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category