ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য ১৫ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।
২৮ জুন (রোববার) আদালতে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা জমা দিতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হামলার ঘটনার দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। এরপর ২০ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার অভিযোগ সংযোজনের আদেশ দেন।
পরবর্তীতে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে সেই অভিযোগপত্রে আপত্তি জানিয়ে ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী নারাজি আবেদন করেন। বাদীর আবেদন আমলে নিয়ে আদালত অভিযোগপত্রের ওপর সরাসরি অগ্রসর না হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেন।
ডিবির জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ছয়জন পলাতক বলে তদন্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।