• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে চেক প্রজাতন্ত্র মাদ্রাসার টয়লেটে মিললো গুলিসহ রিভলবার, গায়ে লেখা ‘মেইড ইন পকিস্তান বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমলো নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে সম্মান জানাবেন সংসদ সদস্যরা মমতাকে বাংলাদেশে চলে যেতে বললেন: দিলীপ ঘোষ সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার অভিন্ন প্রশ্নে হবে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিকল্প ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা মহাখালীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল-ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় শামিল হচ্ছেন বন্দীরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে এখন বিশ্বজুড়ে উৎসবের আমেজ। শহর থেকে গ্রাম, সবখানেই প্রিয় দলের পতাকায় মুখরিত পরিবেশ। এই উন্মাদনা পৌঁছে গেছে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরেও। কারাবন্দীদের বিশ্বকাপের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না করতে ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক।

জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ জন হাজতি ও দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী সেখানে অবস্থান করছেন। বিশ্বকাপের আনন্দে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারাগারের ১৮টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে টেলিভিশন স্থাপন করা হয়েছে। ফলে লোহার শিকের আড়ালেও বন্দীরা উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

শুধু বন্দীরাই নন, জেলা কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন ও কারা কর্তৃপক্ষ। জেলা প্রশাসকের এই মানবিক উদ্যোগ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগের ফলে বন্দীরা বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এতে তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তিনি এ উদ্যোগের জন্য জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, নিয়মিত কারাগার পরিদর্শনের সময় বন্দীরা তাঁর কাছে বিশ্বকাপের খেলা দেখার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর মতে, একজন সাধারণ মানুষের মতো কারাবন্দীদেরও খেলাধুলার আনন্দ উপভোগের অধিকার রয়েছে। সেই মানবিক বিবেচনা থেকেই দ্রুত কারাগারে টেলিভিশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category