ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মমিনুর রহমান ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশান প্রোগ্রামে বলেছেন,” শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা অনুযায়ী ইন্টার্নশিপ, গবেষণা কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানের জন্য উপযোগী করে তুলতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হবে ৩ ক্রেডিট সমমানের ১০০ নম্বরের ইন্ডাস্ট্রি-রিলেটেড কোর্স।”
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ‘শিক্ষা-শিল্পের ঐকতান, কর্মসংস্থানের সমাধান’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশান প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
এসময় উপাচার্য বলেন, “বর্তমান প্রযুক্তির যুগে চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণার মধ্যে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তনের সাথে পাঠ্যক্রমে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত না করলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রত্যাশিত স্থান করতে সক্ষম হবে না।”
তিনি আরও বলেন, ” প্রোগ্রামের উপস্থিত শিল্প মালিকদের সাথে রিসার্চ, অ্যাকাডেমিক এনগেজমেন্ট এবং এমওইউ করার ক্ষেত্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সদাপ্রস্তুত। আপনাদের জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক কর্তৃপক্ষ একাডেমিক কাউন্সিলে প্রত্যেকটি ডিসিপ্লিনে ৩ ক্রেডিট ১০০ নম্বরের জন্য ইন্ডাস্ট্রি-রিলেটেড কোর্স পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।”
আরও পড়ুন: ইবির পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ১০০ নম্বরের ইন্ডাস্ট্রি কোর্স: উপাচার্য
উপাচার্য জানান, ” বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে ইন্টার্নশিপ, রিসার্চ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী এনগেজমেন্ট তৈরি করতে এই কোর্স। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রি গুলো একে অপরের সাথে সম্পৃক্ত ও উভয়ের চাহিদা পূরণ করতে পারে। ”
তিনি আরও বলেন,” দেশের বাহিরে বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধন এবং এনগেজমেন্টের মাধ্যমে উইন-উইন সিচুয়েশন তৈরি হয়। একটি হচ্ছে ‘ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার, ‘ক্যারিয়ার টু ক্যাম্পাস’। আমরা সেই প্রতিপাদ্য বিষয়টাকে সামনে রেখেই কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।”
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। স্বাগত বক্তা রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান।
এছাড়া বিভিন্ন প্রতিনিধিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন, রাজবাড়ি জুট মিলস লিমিটেড, বেনকিউ ইন্ডাস্ট্রি, টেকনোডেরা ইন্ডাস্ট্রি, জিল্লুর এন্ড অ্যাসোসিয়েটস, ডিবিসি নিউজ, টিপি-লিংক বাংলাদেশ, গ্রামীণফোন, ইফাদ মাল্টি প্রোডাক্টস লিমিটেড, আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ পিএলসি, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, প্রাণ গ্রুপ, টেলিটক, আকিজ রিসোর্স, আবুল খায়ের গ্রুপ, শাহজালাল ইসলামিক ব্যাংক পিএলসি, ম্যাটাডর ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ, এনসিঙ্গা ইন্ডাস্ট্রি, এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।