ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ডাবল ডেকার বাসে মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলা ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৬টার দিকে আইসিটি বিভাগের করিডোরে উক্ত সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। এসময় আইসিটি বিভাগের অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুই বিভাগের সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় মীমাংসার উদ্দেশ্যে দুই বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রক্টর অফিসে আলোচনায় বসেন প্রক্টরসহ বিভাগের শিক্ষকরা। সেখানে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মীমাংসা শেষে তারা কোলাকুলিও করেন। মীমাংসা শেষে আইসিটি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম অনুষদ ভবন থেকে বের হয়ে যান।
এর কিছুক্ষণ পর আইসিটি বিভাগের বাকি শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বের হওয়ার সময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আচমকা হামলা করেন। পরে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হলে গাছের ডালপালা ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নেয়। এতে করে রুদ্ধ হয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাস। দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর বিচারের আশ্বাস পেয়ে প্রধান ফটক ছেড়ে যায় তারা।
তাদের এই দাবির প্রেক্ষিতে বাংলা বিভাগের ৩ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আব্দুর রউফ ও মোসাব্বির হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, এরকম নৃশংস ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডি মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। কিন্তু হামলার ঘটনায় ৩০ এর অধিক শিক্ষার্থী জড়িত ছিলো। হামলায় জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তারা মার্ডার করার উদ্দেশ্য নিয়ে হামলা করেছে। আমাদের অনেকে গুরুতর আহত হয়েছে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারতো। তারা আমাদের শিক্ষককে বুকে লাথি মেরেছে। সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না করলে আমরা আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো।