জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় আগাম জামিন মেলেনি চিত্রনায়ক রিয়াজের।
হাইকোর্টে হাজির হয়ে ৩ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদন নাকচ করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন।
রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা হয়। ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি হয়। এই মামলায় শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা করা। পাশাপাশি শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় রিয়াজ ছাড়াও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খানসহ ১৪ অভিনয়শিল্পীর রয়েছেন। মামলায় ১৫ জন সাংবাদিক ও ১৩ জন শিক্ষকের নামও রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে আছেন- সন্তোষ শর্মা ও মুন্নী সাহা। শিক্ষকদের মধ্যে জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুনের নাম রয়েছে। ইমরান এইচ সরকার ও লাকী আক্তারকেও মামলায় আসামি করা হয়।
অপর একটি হত্যা মামলাতেও রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এই দুই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে বৃহস্পতিবার আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।