নিয়মবহির্ভূত জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য জালিয়াতির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখতিয়ারের বাইরে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। একই ধরনের অভিযোগে আরো ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ইসি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের কথা জানানো হয়।
তারা হলেন- পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মচারী কামনা রানি সরকার, কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. এ ছাত্তার, রমনা থানা নির্বাচন কার্যালয়ের মো. আশিকুর রহমান এবং তালতলী উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মচারী মো. জাকির হোসেন সোহেল।
ইসি সূত্র জানায়, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় তথ্যভাণ্ডারের সার্ভার থেকে দায়িত্ব ও এখতিয়ারের বাইরে এনআইডি-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
একই ধরনের অভিযোগে আরো ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এদিকে আরো ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এনআইডি তথ্যভাণ্ডারে নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে এখতিয়ারের বাইরে এসব তথ্য সংগ্রহ বা ব্যবহারের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে ইসি।