মা ইলিশ রক্ষায় সরকার দুই মাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এই সময়ের কষ্ট লাগভে সরকারের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় থাকেন জেলেরা। তবে দুষ্ট চক্রের নীল থাবায় জেলেদের কষ্ট হয়েছে দ্বিগুন। সরকারের খাদ্য সহায়তা নিবন্ধিতদের তালিকায় রাজনৈতিক কর্মী ও ভিন্ন পেশাজীবীদের নাম থাকলেও বাদ পড়েছেন প্রকৃত জেলেরা। তবে পর্যায়ক্রমে তালিকা হালনাগাদ করার কথা জানায় উপজেলা মৎস্য বিভাগ।
তেমনি এক জেলে শাহআলম গাজী (৫০)। তিনি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়াডের দক্ষিণ কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা। গেল ৫ বছরের বেশি সময় দক্ষিণ কালিকাপুর আবাসন প্রকল্পের উত্তর পাশে বোয়ালিয়ার খালে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে।
জানতে চাইলে জেলে শাহ আলম গাজী বলেন, কোন মাঝি না গাজী তারা পাচ্ছে সরকারের ভাতা। আর আমি প্রকৃত জেলে হয়েও তা পাচ্ছি না। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর্যন্ত জাল দিয়ে বোয়ালিয়া খালে মাছ শিকার করি।মাছ বিক্রি করে জীবন সংসার চালাই। মাছ ধরা বন্ধের এই সময় আমার জীবন বড় কষ্টে চলে।
তিনি বলেন, যেহেতু সরকার বলেছে নৌকা জাল না থাকলে খাদ্যবন্ধক কর্মসূচিতে থাকবে না তার নাম। আমার তো আছে তার পরেও নেই আমার নাম। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আমার দাবি আমার যাতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির নামটি থাকে। তাহলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করতে পারব।
বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন টুটু বলেন, প্রকৃত জেলেদের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির তালিকায় নাম রাখা হয়েছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুল নবী বলেন, যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত জেলেদের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিতে রাখা হয়েছে।