• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তিতুমীর কলেজের শহীদ মামুন হলে লিফট বিকল, আটকা পড়েন ৯ আবাসিক শিক্ষার্থী রেজা হাসান বাদ, সিলেটের ডিসি হলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন বিনিয়োগ-বান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করবে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মাধ্যমে তিতুমীর কলেজে ‘লহু রাঙা জুলাই’ উদযাপন  চট্টগ্রাম বিভাগে অতিবৃষ্টি, পাহাড় ধসে ৩০ মৃত্যু নীলফামারীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন, ১৪শিশুকে পুরস্কার প্রদান কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন।প্লাবিত বিস্তীর্ণ জনপদ ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বন্যার আশঙ্কা, আগামী তিন দিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা বুয়েটে ভেটিভারভিত্তিক জৈব প্রকৌশল বিষয়ে দুই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হাম উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮১৮

যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ : ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

ইয়ানূর রহমান, যশোর থেকে ::

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টির কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দেন।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এআইএস বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভে তারা “আমার ভাই আহত কেন, জবাব চাই জবাব দাও”, “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, “নিরাপদ ক্যাম্পাস, আমাদের অধিকার”, “সন্ত্রাসীদের জায়গা এই ক্যাম্পাসে হবে না”, “এক হও, এক হও, এআইএস এক হও”—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

পরে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ৭ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান জিমনেসিয়ামে আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখাকে কেন্দ্র করে এআইএস বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্য বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রক্টরের সামনেই এআইএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবি, পরে জিমনেসিয়ামের বাইরে ও শহীদ মিনারসংলগ্ন এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে এআইএস বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল্লাহর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয়, ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

স্মারকলিপিতে কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয় এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তারা তদন্ত প্রতিবেদন দেবে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে, শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category