• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন

পরিবেশ দূষণ রোধে সবাইকে অংশগ্রহণের আহবান পরিবেশমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক / ১৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

পরিবেশ দূষণ রোধে সবাইকে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়েছেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, পরিবেশগত সমস্যার সমাধান করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিক সংগঠনসহ সকলের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা-বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বিশ্ব পরিবেশের বর্তমান অবস্থা, প্রেক্ষিত ও আমাদের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপিকা সৈয়দা ফাতেমা সালাম।

এসময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মানবাধিকার কমিশন ও গুম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান প্রমুখ।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “দেশের বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাই অবগত। শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ, পানিদূষণ ও সমুদ্রদূষণসহ বিভিন্ন ধরনের দূষণ দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদ-নদীর অবস্থাও উদ্বেগজনক।”

পরিবেশ দূষণ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রাখাই সংশ্লিষ্টদের মূল দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের আয়তন ছোট হলেও জনসংখ্যার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। বিশেষ করে ঢাকা শহরে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪৪-৪৫ হাজার মানুষের বসবাস। এর পাশাপাশি প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য মানুষ নানা প্রয়োজনে ঢাকায় আসা-যাওয়া করেন। ফলে পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।”

মন্ত্রী বলেন, “শুধু ইচ্ছা করলেই পরিবেশের উন্নতি হবে না। পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হবে। পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করা সংগঠনগুলো যদি সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে, তাহলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধরনের দূষণ থেকে সমাজ ও দেশকে আরো ভালো অবস্থানে নেওয়া সম্ভব হবে।”

ইটভাটার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “গ্রামাঞ্চলে পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ ইটভাটা। তবে শুধু বায়ুদূষণের বিষয়টি নয়, ইট উৎপাদনের কারণে কৃষিজমির উর্বরতাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইট তৈরির জন্য কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেওয়ায় জমির জৈবগুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং কয়েক বছর পর্যন্ত সেখানে ভালো ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।”

তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে শুধু ইটভাটা বন্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। ইটের বিকল্প নির্মাণসামগ্রী নিয়ে ভাবতে হবে এবং আরো সৃজনশীল হতে হবে। অনেক দেশে ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প ইটভাটাও রয়েছে, যেখানে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক কম।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category