• শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে ১ হাজার ফুটের ব্রাজিলের পতাকা, ফাইনালে উঠলে হবে গরু জবাই দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই: গভর্নর ঘাটতি-ঋণনির্ভর বাজেট অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলবে খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা বাজেট বাস্তবায়নে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান ১২ দলীয় জোটের বাজেটের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ: সিপিডি বাজেট শ্রমজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ উল্লেখ করে সংশোধনের দাবি সড়কপথে বাংলাদেশে এসে কী বার্তা দিলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার? ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার, ৮০ শতাংশ পদে অগ্রাধিকার নারীদের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে মধ্যরাতে চুরি, অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন পরিকল্পিত

বাজেটের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল। এছাড়া বর্তমান কর কাঠামোয় নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর ওপর তুলনামূলক বেশি করের চাপ পড়ছে। তাই দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় করমুক্ত আয়সীমা আরও বাড়ানো যেতে পারতো।

‎শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ফাহমিদা খাতুন জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিগত আয়ের কর কাঠামোয় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী দুই অর্থবছর ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ এ তা ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে সাড়ে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

‎তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমার একটি সুস্পষ্ট পথরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ইতিবাচক। এতে করদাতারা ভবিষ্যৎ আয়-ব্যয় ও আর্থিক পরিকল্পনা সম্পর্কে আগাম ধারণা পাবেন।

বাজেটের সামগ্রিক মূল্যায়নে ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের প্রধান লক্ষ্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার। এ লক্ষ্যে ব্যক্তি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

‎তিনি বলেন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণকে বাজেট দর্শনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ দৃষ্টিভঙ্গি অর্থনীতিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করার প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

তবে বাজেটের আকার নিয়ে আলোচনার চেয়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তার মতে, দীর্ঘদিনের বাস্তবায়ন দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে বাজেটে ঘোষিত লক্ষ্য ও প্রত্যাশা অর্জন সম্ভব হবে না। এজন্য সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা উন্নয়ন জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category