• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে পেইড সাবস্ক্রিপশন চালু করল মেটা জিয়ার শাহাদতবার্ষিকীর কর্মসূচিতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন রাজধানীর হাসপাতালে আড়াই বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর কারাগারে ওয়ার্ড বয় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সঞ্জিত সাহাকে ঘিরে অপপ্রচার: সচেতন মহলের নিন্দা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৬ স্থানে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র ও খাবার বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে ইতিহাসের পর ইতিহাস ২০১৪ সালের পর সব নির্বাচনই ছিল ‘সাজানো’, দাবি জিএম কাদেরের মারজুক রাসেল ৭ বছর পর গান লিখলেন অসহায় মানুষের পাশে থাকতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে ইতিহাসের পর ইতিহাস

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপসেরা হয়ে ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায় যোগ করেছে ফরাসি ক্লাবটি।

ফাইনালের শুরুটা অবশ্য ছিল আর্সেনালের স্বপ্নের মতো। ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় ইংলিশ জায়ান্টরা। তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে খভিচা কাভারাসখেলিয়ার ওপর ফাউলের ফলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও ম্যাচের নিষ্পত্তি না হওয়ায় শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে আর্সেনালের দুই ফুটবলারের শট ব্যর্থ হলে চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি নিজেদের করে নেয় পিএসজি।

এই জয়ের মাধ্যমে পিএসজি ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুই মৌসুমে ঘরোয়া লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের কীর্তি গড়েছে। এর আগে এমন সাফল্য দেখাতে পেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও আয়াক্স।

পিএসজির প্রধান কোচ লুইস এনরিকেও গড়েছেন নতুন মাইলফলক। কোচ হিসেবে এটি তার তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। ফলে তিনি পেপ গার্দিওলা, জিনেদিন জিদান ও বব পেইসলির কাতারে জায়গা করে নিয়েছেন। এ তালিকায় পাঁচটি শিরোপা নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি।

ফাইনালে বলের দখলে ছিল পিএসজির একচ্ছত্র আধিপত্য। আর্সেনাল মাত্র ২৪.৭ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণে ছিল, যা ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। বিপরীতে পিএসজি ৭৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং ম্যাচে ২৮টি শট নেয়।

হারের ফলে আর্সেনালের দীর্ঘ অপেক্ষাও আরও দীর্ঘ হলো। ইউরোপিয়ান কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে ২২৬টি ম্যাচ খেলেও এখনো শিরোপার দেখা পায়নি গানাররা, যা প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় নাম তুলেছেন কাই হাভার্টজও। তিনি ইউরোপিয়ান কাপের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়েছেন।

এদিকে ইংলিশ ক্লাবগুলোর বিপক্ষে পিএসজির দাপটও অব্যাহত রয়েছে। নকআউট পর্বে ইংলিশ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা সাতটি ম্যাচ জিতেছে তারা এবং শেষ ১০ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে।

চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে উসমান দেম্বেলের গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে অবদান দাঁড়িয়েছে ১৭-তে, যা এই সময়ে যেকোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে মৌসুমে পিএসজির মোট গোলসংখ্যা পৌঁছেছে ৪৫-এ। এর মাধ্যমে তারা ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে বার্সেলোনার গড়া সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে।

টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপসেরা হয়ে পিএসজি প্রমাণ করেছে, বর্তমান সময়ে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দল তারাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category