যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও বড় দরপতন হয়েছে সোনা ও রুপার বাজারে। মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা সোনা থেকে সরে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুগুলোর দামে বড় পতন দেখা গেছে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২১ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকে ৪ হাজার ৫২২ দশমিক ৫০ ডলারে স্থির রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তেলের দাম বাড়ায় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে—এমন আশঙ্কাতেই সোনার বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক রিকার্দো ইভাঞ্জেলিস্টা বলেন, সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত সোনার পরিবর্তে বন্ড ও ডলারের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েন। কারণ সোনা থেকে সরাসরি কোনো সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায় না।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দামও কমেছে। স্পট সিলভারের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬ দশমিক ০৩ ডলারে নেমেছে। পাশাপাশি প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামেও পতন দেখা গেছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ দামে—
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতেও সোনা-রুপার দামে ওঠানামা থাকতে পারে।