নাটোর প্রতিনিধি
নাটোর সদর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায় পৃথক ঘটনায় ২ কিশোরসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত অপরজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারী। এদের মধ্যে ওই নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। অপর দুই কিশোর পানিতে ডুবে মারা যায়।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গলায় ফাঁস ও পানিতে ডুবে এ মৃত্যূর ঘটনা ঘটে।
সদর থানার ওসি মনসুর রহমান এবং বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন, নাটোর সদর উপজেলার হুগোলবাড়িয়া এলাকার অঞ্জলি মালিথা, বড়াইগ্রাম উপজেলার রাজাপুর পূর্ণকলস এলাকার কিশোর নূর মেহাম্মদ (১১) এবং প্রতিবেশী আরাফাত (১১)।
নিহত অঞ্জলীর স্বজনদের দাবি, ওই নারী অনেক রাগী, একরোখা ধরণের। তিনি ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া কলহ হলেই আত্মহত্যা করতে যেতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০-১২ দিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব চলছিল।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় স্বজনরা তার মরদেহ দেখে খবর দিলে পুলিশ উদ্ধার করে।
অপরদিকে বড়াইগ্রামের রাজাপুর এলাকার দায়িত্বরত ইউপি মেম্বার বেলাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে
আরাফাত ও নূর মোহাম্মদ গোসল করার জন্য বাড়ির পাশে পুকুরে যায়। ওই পুকুরে কলাগাছের ভেলায় ঘুরতে ঘুরতে গোসল করার এক পর্যায়ে দুইজনই পানিতে ডুবে যায়।
স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। নূর মেহাম্মদ ও আরাফাত ৪র্থ শ্রেণি শিক্ষার্থী।
ঈউনি/শাহোরা/