টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন শাখার উদ্যোগে বন্যাকবলিত ও পানিবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার, রান্না করা খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের জরুরি খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গম ও পানিবন্দী এলাকায় নৌকাযোগে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত শিশুদের মাঝেও মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শিবিরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে বন্যাকবলিত সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার গৃহবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এছাড়া সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া এলাকা এবং সাতকানিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড ও পশ্চিম ঢেমশা এলাকায় নৌকাযোগে দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়। এসব কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক মো. শামীম উদ্দীন।
চট্টগ্রাম জেলা পশ্চিম শাখার উদ্যোগে বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার পানিবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্যসহায়তা বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক মো. শামীম উদ্দীন। অপর এক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ।
কক্সবাজার জেলা শাখা ছাত্রশিবির বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় জরুরি ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। একইভাবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখা বন্যায় পানিবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে।
অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় রাঙ্গামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত শিশুদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাঙ্গামাটি শহর থানা শাখা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা সভাপতি রবিউল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি ইরফানুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটের প্রতিটি সময়েই ইসলামী ছাত্রশিবির মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারের বন্যাতেও আমাদের নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।