• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

হাসিনার বক্তব্য প্রচার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানাবে সরকার

নিউজ ডেস্ক / ২৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশের কিছু গণমাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দেশের কয়েকটি গণমাধ্যম সম্প্রতি তার একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে। বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে আহ্বান জানাই তারা যাতে এ কাজটি না করে এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হবে।

তিনি বলেন, আমরা এখনই কঠোর কোনো অবস্থান নিচ্ছি না। তবে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার বিষয়টি আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আমরা আশা করি, দেশের গণমাধ্যম আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে এ ধরনের প্রচার থেকে বিরত থাকবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে বিদেশি গণমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন তথ্য জানতে পারে। তবে সেটি দেশীয় গণমাধ্যমে প্রচারের বৈধতা তৈরি করে না। আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত এ ধরনের প্রচার অনুচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে সরকার বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে।

ব্রিফিংয়ে ‘রিফর্মড’ বা নতুন নামে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি যতদিন নিষিদ্ধ থাকবে, ততদিন দলটি ‘রিফর্মড আওয়ামী লীগ’, ‘তৃণমূল আওয়ামী লীগ’ বা অন্য যে নামেই আসুক না কেন রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনার কোনো সুযোগ তাদের নেই।

তিনি বলেন, সরকারের অবস্থান এ বিষয়ে স্পষ্ট। ২০০৯ সালের সন্ত্রাস দমন আইনের সংশোধিত বিধান কার্যকর রেখেই আওয়ামী লীগের কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অনেক অধ্যাদেশ আইন হিসেবে বহাল না থাকলেও এ সংশোধনী বহাল রাখা হয়েছে, যা সরকারের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তিনি বলেন, দলটি নিষিদ্ধ থাকবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের। আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সরকারের মত হলো, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা উচিত।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে এই নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিচ্ছে না। অতীতে চেয়ারম্যান ও মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলেও এখন সেই ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে। ফলে বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো দল দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category