জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে দেওয়া হবে না। এর জন্য ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী যারা গোপনে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড ও নাশকতায় ব্যস্ত তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরী।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপির এই নেতা।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বহু লড়াই ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেকের জীবনের আত্মাহুতি, অনেকে শহীদ হয়েছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টে ফ্যাসিবাদ পতনের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়ার লক্ষ্য, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সূচনা করতে পেরেছি।
তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিবাদীদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি। ফ্যাসিবাদ চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের নেতৃত্ব চলে গেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক লোকই বাংলাদেশে বসে আছে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘আমরা মাঝে মাঝে তার কিছু আলামত দেখছি। জনজীবন অস্থিতিশীল করা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য মাঝে মাঝে ভোরবেলায়ও কোথাও কোথাও ঝটিকা মিছিল, কখনো কখনো পটকা ফাটানো এবং বোমা ফাটানোর মতো ঘটনা সারাদেশের মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয়তাবাদী দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এই ব্যাপারে জনগণের পক্ষে সজাগ আছি। গণতন্ত্র ব্যাহত হবে-এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।’
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকার নিশ্চয়ই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সক্রিয় অবস্থান নেবেন।